মা অবৈধ সন্তানের অভিভাবক হতে পারেন বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এখন থেকে এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষা, পাসপোর্টসহ সব ফরম পূরণে অভিভাবক হিসেবে পিতা-মাতা বা আইনগত অভিভাবকের নাম উল্লেখ করা যাবে।
গত মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) মাকে অভিভাবক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে করা রিটের শুনানি নিয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো.
হাইকোর্টের এমন রায়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে শোবিজের অনেক তারকাই এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাদের একজন ঢাকাই সিনেমার নতুন প্রজন্মের নায়িকা জাহারা মিতু।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মিতু লিখেছেন, 'আমি যেহেতু সারাজীবন অবিবাহিত ছিলাম তাই একটি সন্তান দত্তক নিতে চাই। আমার সন্তান আমার কাছে বড় হবে। একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত। উচ্চ আদালতের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।
মিতুর পোস্টে একজন নেটিজেন লিখেছেন, 'এখানে জন্মদাতা মাকে বোন হিসেবে বলা হয়েছে, দত্তক নেওয়া মা নয়। আর এই আইন শুধুমাত্র তাদের জন্য প্রযোজ্য যাদের পিতা অচেনা। অর্থাৎ যদি কোনো নারী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সন্তানের জন্ম দেয় এবং সেই সন্তানের পিতার নাম জানা না থাকে, সে ক্ষেত্রে শিশুটি মায়ের পরিচয়েই বড় হবে। অর্থাৎ বায়োলজিক্যাল বাবা না থাকলে সন্তান বড় হবে জৈবিক মায়ের পরিচয়েই। কিন্তু দত্তক মা কখনোই জৈবিক মায়ের মতো হবে না।
তার মন্তব্যের জবাবে মিতু লেখেন, 'আমি এমন একটি শিশুকে নেব যার বাবা-মা কেউ জানবে না। হয়তো বাবা-মায়ের পরিত্যক্ত সন্তান। যার আমি ছাড়া কেউ নেই। সমস্যা ছিল সরকারি কাগজে অভিভাবকের বাড়িতে বাবার নাম লেখা বাধ্যতামূলক, মায়ের নাম লেখা যেত না। যখন আমি আনুষ্ঠানিকভাবে একটি শিশু দত্তক, আমি মা. এখানে জৈবিক বা দত্তক মা ভিন্ন নয়। পরিবর্তন অন্তত। আল্লাহর রহমতে বাকিটা সামলানোর যোগ্যতা, মেধা বা ধৈর্য আমার আছে।
অন্য একজনের মন্তব্যের জবাবে অভিনেত্রী বলেন, "আমি প্রথম 2017 সালে মিডিয়াতে দত্তক নেওয়ার কথা বলেছিলাম, সায়েম সালেকের শোতে। আমি সেখানে বলেছিলাম, ছোটবেলায় দত্তক নেওয়ার কথা প্রথম শুনেছিলাম বলে আমি দত্তক নিতে চেয়েছিলাম। কত দিন আছে। আপনি সিনেমায় আসেন? সিনেমার প্রচার তো দূরের কথা, স্ব-প্রচারের জন্য কোনো সস্তা অভিনয় আমার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যায় না।



0 coment rios: